دینی سوالات کے جوابات اور فتاوی
শার্ট প্যান্ট পরিধান করা কি হারাম? শার্ট প্যান্ট পড়ে নামাজ পড়া কি সহিহ হবে? জূব্বা সেলোয়ার লুঙ্গি এগুলো কি সুন্নতি পোষাক?
খাওয়া-পোশাক
শার্ট প্যান্ট পরিধানের প্রথা আজ সারা বিশ্বে এতটা ব্যাপক হয়ে গেছে যে, এখন আর বিজাতীয়দের সাথে সাদৃশ্য হওয়ার বিষয়টি দুর্বল হয়ে গেছে, যে কারনে বর্তমানে শ্রট প্যান্ট পড়া হারাম নয়। তবে অপছন্দনীয় অবশ্যয়। উল...
আমাদের দেশে মুরগী ড্রেসিং করার সময় ভুড়ি বের না করে ই কেউ গরম পানিতে রেখে তারপর ড্রেসিং করে আর কেউ পানিতে রাখে না তবে উপর দিয়ে ছিটিয়ে দেয়। শরিয়তে এই মুরগীর হুকুম কি?
খাওয়া-পোশাক
মুরগির ভুড়ি বের না করে ফুটন্ত গরম পানিতে যদি এই পরিমান সময় রাখা হয় যে পানি ভিতরে প্রবেশ করে, তাহর মুরগীর গোস্ত নাপাক হয়ে যাবে। তাই এই গোস্ত খাওয়া হারাম হবে। তবে যদি পানি ফুটন্ত গরম না হয়, বরং হালকা গ...
আপনাদের প্রশ্নোত্তর পর্বে জানতে পারি একমুঠ এর কম দাড়ি ছাটা কবিরা গুনাহ । কিন্তু সাম্প্রতিক কিছু বিষয়ের কারণে পরিবার হতে দাড়ি ছাটার ব্যাপারে কঠোর নির্দেশ দিয়েছে ।দাড়ি ছাটতে না চাইলে অপদস্থ হতে হচ্ছে । সাম্প্রতিক এক আত্মীয়কে সম্ভবত দাড়ি দেখে পুলিশ হাজতে নিয়েছে। এছাড়া এলাকাতে কিছু মানুষ কে গ্রেফতার করা হচ্ছে ইত্যাদি… এতকিছু দেখে আব্বা-আম্মা দাড়ি ছাটতে বলেছেন। এখন পরিস্থিতি এমন হয়েছে যে দাড়ি না ছাটা পর্যন্ত বিবাদ বন্ধ হবে না মনে হয় । এখন কি করতে পারি ?
হজ্ব
আমাদের দেখা মতে যারা দাড়ি ছেটে ফেলে তাদেরকেই পুলিশ ধরছে জামাত ও শিবির সন্দেহে। কারণ এক মুষ্টি দাড়ি সাধারণত জামাত ও শিবিরের লোকেরা রাখে না। তারা দাড়িকে ছেটে ছোট করে রাখে। তাই বাস্তবতার দৃষ্টিতেও আপনার...
আজকাল মাযহাব, তাকলিদ , মুকাল্লিদ গাইরে মুকাল্লিদ লা মাযহাবী আহলে হাদীস ইত্যাদি নাম খুব বেশি শুনা যায়৷ পরস্পরে অনেক বাকযুদ্ধ হয়৷ এদের আসল পরিচয় কি? জানিয়ে বাধিত করবেন৷
হজ্ব
“মাযহাব” শব্দটি একটি স্বীকৃত শব্দ ছিল। ছিল না কোন দাগ উক্ত শব্দে। কিন্তু ইদানিং উক্ত শব্দে নানাভিদ কালিমা লেপনের চেষ্টা করছে। ”মাযহাব” বিষয়ে উদ্ভট সব প্রশ্ন তোলে স্বতসিদ্ধ একটি বিষয়কে প্রশ্নবিদ্ধ করা...
চেয়ারে বসে নামায আদায় সংক্রান্ত আহকাম৷
হজ্ব
( ক) কিয়াম রুকু ও সিজদা করতে সক্ষম এমন ব্যক্তির জন্য নিচে বসে বা চেয়ারে বসে নামায আদায় করা বৈধ নয়৷ করলে নামায হবে না৷ কারন নামাযে দাড়ানো, রুকু করা, সিজদা করা ফরজ৷ আর ফরজ ছেড়ে দিলে নামায হয় না৷...
রমযানের শেষ দশকে ইতিকাফ অবস্থায় কেউ শরীয়তসম্মত কোনো প্রয়োজনে যদি বাইরে যায় তাহলে সে কাউকে সালাম ও এর জবাব দিতে পারবে কি না? আমাদের এখানে কেউ কেউ বলেন যে, তার জন্য সালাম দেওয়াও নাকি সহীহ নয়। আবার কেউ বলেন, সালাম দেওয়া যাবে। তাই এক্ষেত্রে সঠিক মাসআলা জানতে চাই।
আদব-ব্যবহার
ইতিকাফকারী কোনো প্রয়োজনে মসজিদের বাইরে গেলে সালাম বা সালামের জবাবের জন্য না থেমে রাস্তায় চলতে চলতে কিংবা প্রয়োজনীয় কাজটি সারতে সারতে সালাম ও সালামের জবাব দিতে পারবে। এতে তার ইতিকাফের কোনো ক্ষতি হবে ন...
একদিন জুমার নামাযের আগে আমার রুমে পড়তে পড়তে ঘুম এসে যায়। সবাই মনে করেছে আমি মসজিদে গিয়েছি। সুতরাং কেউ আমাকে জাগায়নি। যখন আমি সজাগ হই তখন দ্রুত রওয়ানা দেই এবং নিয়ত করে বসা মাত্রই ইমাম সাহেব সালাম ফিরিয়ে দেন। আমি দাঁড়িয়ে মাসবুকের ন্যায় নামায পূর্ণ করি। জানতে চাই আমার ঐ জুমার নামায কি আদায় হয়েছে?
আদব-ব্যবহার
প্রশ্নোক্ত ক্ষেত্রে ইমামের সালাম ফিরানোর আগেই যেহেতু আপনি জুমার নামাযে শরীক হয়েছেন তাই আপনার জুমার নামায সহীহ হয়েছে। হযরত শু‘বা রাহ. বলেন, سَأَلْتُ الْحَكَمَ، وَحَمَّادًا، عَنِ الرَّجُلِ يَجِيءُ يَوْ...
রমযানের পূর্বে ট্রেনে এক জায়গায় যাচ্ছিলাম। মাঝে ফজরের সময় এক স্টেশনে ট্রেনটি থামে। ঐ স্টেশনে ট্রেন সাধারণত একটু দীর্ঘ সময় অবস্থান করে। তাই আমি পস্নাটফরমের এক কামরায় ফজরের জামাতে শরিক হই। আমরা যখন বৈঠকে তাশাহহুদ পড়ছি তখন ট্রেন ছাড়ার জান্য সংকেত দেওয়া হয়। তাই আমি তাড়াহুড়ো করে ইমামের আগেই সালাম ফিরিয়ে ট্রেনে উঠি। ইমামের আগে সালাম ফিরানোর কারণে কি আমার ঐ নামায নষ্ট হয়ে গেছে? ঐ নামায কি পুনরায় আদায় করতে হবে?
আদব-ব্যবহার
আপনি যদি তাশাহহুদ পড়ার পর সালাম ফিরিয়ে থাকেন তাহলে আপনি যেহেতু ওজরবশতকরেছেন তাই আপনার নামায আদায় হয়ে গেছে। আর যদি তাশাহহুদ পড়ার পূর্বে সালাম ফিরিয়েথাকেন তাহলে ঐ নামায আদায় হয়নি। তা পুনরায় আদ...
মহিলাদের জন্য কি ইহরাম অবস্থায় হাত-মোজা , পা-মোজা পরা জায়েয আছে? দলীল- প্রমাণসহ জানালে উপকৃত হব। সহীহ বুখারীতে নাকি আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইহরাম অবস্থায় মহিলাদের হাতমোজা পরতে নিষেধ করেছেন ?
হজ্ব
মহিলাদের জন্য ইহরাম অবস্থায় হাতমোজা, পা- মোজা পরা জায়েয। হাদীস শরীফে আছে, সালেম রাহ. বলেন , আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রা. মুহরিম মহিলাদের পা-মোজা কেটে দিতেন। কিন্তু সফিয়া বিনতে আবু উবাইদা রা. তাঁর কাছে...
গত রমযানে আমি একদিন জামাতের সাথে তারাবীতে নামায শেষ করে জরুরতে মসজিদের বাইরে যাই। ফিরে এসে ইমাম সাহেবকে বিতিরের তৃতীয় রাকাতে পাই। আমি তখন জামাতে শরিক হই। ইমাম সাহেব যখন তাকবীর বলে দুআ কুনূত পড়েন তখন আমিও তার সাথে দুআ কুনূত পড়ি। এরপর ইমাম সাহেব তৃতীয় রাকাত শেষ করে সালাম ফিরালে আমি দাঁড়িয়ে অবশিষ্ট দু রাকাত পূর্ণ করি। তাতে পুনরায় আর দুআ কুনূত পড়িনি। নামায শেষে একজন মুসল্লি আমাকে বলেন, আপনার নামায আদায় হয়নি। কেননা প্রথমবার আপনি যখন ইমামের সাথে দুআ কুনূত পড়েছেন তা ছিল আপনার প্রথম রাকাত। ইমামের অনুসরণে তখন মূলত তা পড়েছেন। এরপর আপনার তৃতীয় রাকাত যেটা ছিল তাতে দুআ কুনূত পড়া তো আপনার জন্য ওয়াজিব ছিল। ইচ্ছাকৃত ওয়াজিব ত্যাগ করার কারণে আপনার নামায নষ্ট হয়ে গেছে। হুজুরের কাছে বিষয়টির প্রকৃত সমাধান জানতে চাচ্ছি।
আদব-ব্যবহার
উক্ত মুসল্লির কথা ঠিক নয়। কেননা মাসবুক ইমাম সাহেবের সাথে দুআ কুনূত পড়লে কিংবা তৃতীয়রাকাত পেলে মাসবুকের দুআ কুনূতের ওয়াজিব আদায় হয়ে যায় এবং এটা তার জন্য তৃতীয়রাকাত হিসেবেই গণ্য হয়। তাই ইমামের...
فتوی دریافت کریں
اپنے دینی سوال کا جواب حاصل کرنے کے لیے نیچے دیا گیا فارم پُر کریں۔