دینی سوالات کے جوابات اور فتاوی

একব্যক্তি কাপড়ের মোজার উপর চামড়ার মোজা পরিধান করে তার উপর মাসহ করে। তার মাসহ কি সঠিক হয়েছে?

খাওয়া-পোশাক
হ্যাঁ, কাপড়ের মোজার উপর চামড়ার মোজা পরিধান করলেও মাসহ করা জায়েয। অবশ্য চামড়ার মোজা পায়ের সাথে এঁটে থাকতে হবে এবং এতে অন্যান্য শর্তও থাকতে হবে। -শরহুল মুনয়া পৃ. ১১২; রদ্দুল মুহতার ১/২৬৯ উত্তর দি...
অজ্ঞাত মুফতি
08 Sep, 2025

কিছুদিন যাবৎ বৃষ্টির কারণে রাস্তাঘাট কাদায় ভরে গেছে ৷ বের হলেই কাপড় কাদায় ভরে যায় ৷ তাই জানার বিষয় হল, এর হুকুম কী? এগুলো কাপড়ে বা গায়ে লাগলে তা নিয়ে নামায পড়া যাবে কী?

খাওয়া-পোশাক
বৃষ্টিপাতের কারণে রাস্তার কাদায় বা পানিতে স্পষ্ট নাপাক দেখা না গেলে সেই কাদা বা পানি পাক হিসেবে গন্য হবে ৷ তা শরীরে বা কাপড়ে লাগলে তা ধৌত করা ছাড়া নামায পড়া জায়েজ। কেননা এ থেকে বাঁচা অসম্ভব। তবু ধুয়...
অজ্ঞাত মুফতি
08 Sep, 2025

হুজুর প্রচুর বৃষ্টির কারণে রাস্তাঘাটের অবস্থা খুব খারাপ ৷ বের হলেই কাপড়ে কাদা লেগে যায় ৷ নামাযে গেলেও কাদা থেকে রেহায় পাওয়া মুশকিল ৷ আপনার নিকট জানার বিষয় হল, কাপড়ে রাস্তার কাদা লাগলে কাপড় কি নাপাক হয়ে যাবে কি না? কাদাযুক্ত কাপড় পরিধান করে নামায হবে কি না? জানালে উপকৃত হবো৷

খাওয়া-পোশাক
যদি কাদায় নাপাকি দেখা না যায় কিংবা নাপাকির গন্ধ অথবা রং প্রকাশ না পায় তাহলে তা পাক বলে গন্য হবে ৷ এমতাবস্থায় উক্ত কাপড় পরে নামায সহিহ হবে ৷ আর যদি কাদায় নাপাকি দেখা যায় কিংবা নাপাকির গন্ধ অথবা রং প...
অজ্ঞাত মুফতি
08 Sep, 2025

আমি গতকাল বাথরুমে যাবার সময় মাথায় কাপড় ছিল না ৷ পরে একজন ব্যক্তি ডেকে বললেন এভাবে খালি মাথায় বাথরুমে যাওয়া ঠিক না ৷ জানার বিষয় হলো, তার কথা কি ঠিক ?

খাওয়া-পোশাক
টয়লেটে যাবার সময় মাথায় কাপড় রাখা সুন্নত। কোননা হযরত আয়শা রাঃ থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূল সাঃ যখন টয়লেটে প্রবেশ করতেন তখন মাথা ঢেকে নিতেন। খুলাসাতুল আহকাম,হাদীস নং-৩২৩ ৷ হযরত হাবীব বিন সালেহ রাঃ থেক...
অজ্ঞাত মুফতি
08 Sep, 2025

হুজুর আমার বাচ্চার এক বছর দশ মাস হয়েছে ৷ সে এখনো বুকের দুধের উপরই নির্ভরশীল। এখনো অন্যান্য খাবারে অভ্যস্ত নয় ৷ অন্য খাবার মুখেই নিতে চায় না। প্রশ্ন হল, সর্বোচ্চ কতদিন তাকে বুকের দুধ খাওয়ানো যাবে? সময়সীমা পাড় হয়ে গেলে করনীয় কি? জানিয়ে বাধিত করবেন ৷

খাওয়া-পোশাক
শিশুকে মায়ের বুকের দুধ পান করানোর সময়সীমা হল, জন্ম থেকে চন্দ্র মাস হিসাবে দু’বছর। এরপর শিশুকে বুকের দুধ পান করানো জায়েয নয়। তাই আপনার বাচ্চাকেও দু’ বছর পর্যন্ত বুকের দুধ পান করানো যাবে ৷ এবং এর ভিতর...
অজ্ঞাত মুফতি
08 Sep, 2025

মুফতী সাহেব। আমার একটি প্রশ্ন, অনেকে বলে প্রাণ কোম্পানি কাদিয়ানীদের,তাই তাদের পণ্য খাওয়া ও ক্রয় করা যাবে না,এটা কি সঠিক? এবং আমাদের দেশে যে পেপসি, সেভেন আপ, স্পীড, টাইগার, স্প্রাইট, মজো পাওয়া যায়, তা পান করা জায়েজ আছে কিনা?

খাওয়া-পোশাক
কাদিয়ানীরা সমস্ত মুসলমানদের ঐক্যমত্বে কাফের। তাই এসব কাফেরদের পণ্য ক্রয়ের বিধান হল,তাদের প্রোডাক্টকৃত পণ্য ছাড়া বাজারে এধরনের আর কোন পণ্য যদি না থাকে, তাহলে তাদের জায়েজ পণ্য ক্রয় করতে কোন সমস্যা নেই...
অজ্ঞাত মুফতি
08 Sep, 2025

সৌদি আরব থেকে আমার এক বন্ধু আমার জন্য এক জোড়া জুতা পাঠিয়েছে ৷ জুতায় আরবীতে নাম লিখা ছিলো। যেমন আমাদের দেশে জুতায় ‘বাটা এপেক্স ইত্যাদি নাম লিখা থাকে। জানার বিষয় হলো, এসব জুতা কি পরিধান করার বিধান কি?

খাওয়া-পোশাক
জুতায় কুরআনের আয়াত বা আল্লাহ ও রাসূল সাঃ এর নাম লেখা থাকলে এসব জুতা পরিধান করা জায়েজ হবে না। সম্পুর্ন হারাম হবে ৷ এবং যারা জুতায় এসব লিখা লিখবে তারা ইসলামের দৃষ্টিতে জঘন্ন অপরাধী ৷ তাদের বিরোদ্ধে আ...
অজ্ঞাত মুফতি
08 Sep, 2025

হুজুর বর্তমানে এমন বহুত দেখা যায় যে, মুরগ ছাড়া-ই মুরগী থেকে মেশিনের মাধ্যমে ডিম উৎপাদন করা হয় । আবার মুরগী ছাড়াও মেশিনের মাধ্যমে মুরগী উৎপাদন করা হয় । তাই জানার বিষয় হল, মেশিনে উৎপাদিত ডিম ও মুরগী খাওয়া শরীয়তে জায়েয কি না?

খাওয়া-পোশাক
শরীয়তের মূলনীতি হলো প্রত্যেক বস্তুর আসল হলো মুবাহ বা হালাল হওয়া ৷ তাই যতক্ষন পর্যন্ত এসব ডিম ও মুরগী উৎপাদনে হারাম হওয়ার কোন কারণ পাওয়া না যায় ততক্ষণ পর্যন্ত এসব ডিম ও মুরগী খাওয়া হালাল হবে ৷ অ...
অজ্ঞাত মুফতি
08 Sep, 2025

খাতা কলম বই, ইসলামিক বই ইত্যাদি হাত থেকে পড়ে গেলে আমরা তা উঠিয়ে চুমু খাই। এটা কতটুকু শরীয়তসম্মত? কোন মানুষের গায়ে পা লাগলেও আমরা চুমু খাই। এটা জায়েয কি না?

খাওয়া-পোশাক
কুরআন মাজীদ ও ইসলামী বই-পুস্তক হাত থেকে পড়ে গেলে তা উঠিয়ে মুখের কাছে এনে চুমু খাওয়া জায়েজ আছে৷ কিন্তু ঝুঁকে চুমু খাওয়া জায়েজ নয় । কেননা এতে সেজদার অবস্থা চলে আসে। আর সেজদা একমাত্র আল্লাহ ছাড়া অন্য...
অজ্ঞাত মুফতি
08 Sep, 2025

আমরা জানি পুরুষ বা মহিলার উত্তেজনার সহিত যে গাড় তরল পদার্থ বের হয়, তাকে বীর্য বলে ৷ বীর্য বের হলেই গোসল ফরজ হয় ৷ উক্ত বীর্য দিয়েই সকল মানুষ সৃষ্টি করা হয়েছে ৷ যে বীর্য বের হলেই গোসল ফরজ হয় তা নাপাক তা-ই জানি ৷ কিন্তু কিছু লোক বলে বীর্য নাকি পাক ৷ আমার প্রশ্ন হচ্ছে বীর্য পাক না নাপাক ? কুরআন হাদীসের আলোকে সঠিক বিধান জানাবেন৷

খাওয়া-পোশাক
সাধারন জ্ঞানেও স্বীক়তি দেয় যে, বীর্য নাপাক। যে বীর্য বের হলেই গোসল পর্যন্ত ফরজ হয়ে যায় তা পাক হবার প্রশ্নই উঠে না। এ জন্যই বীর্য শুকিয়ে শক্ত হয়ে গেলে খুটিয়ে তুলে ফেলা ও ভিজা হলে কাপড়টি ধৌত করার...
অজ্ঞাত মুফতি
08 Sep, 2025

فتوی دریافت کریں

اپنے دینی سوال کا جواب حاصل کرنے کے لیے نیچے دیا گیا فارم پُر کریں۔