دینی سوالات کے جوابات اور فتاوی
আমরা অনেক সময় বাজার থেকে নতুন কাপড় কিনে এনে না ধুয়ে পরিধান করি এবং তা পরে নামাযও পড়ি। অথচ নতুন কাপড় সুতা থেকে শুরু করে পূর্ণ কাপড় হওয়া পর্যন্ত অনেকগুলো পর্যায় অতিক্রম করতে হয়। যেখানে পবিত্রতা-অপবিত্রতার প্রতি খেয়াল রাখা হয় না। জানার বিষয় হল, নতুন কাপড় না ধুয়ে তা পরিধান করে নামায পড়া সহীহ হবে কি?
খাওয়া-পোশাক
এ ধরনের পরিধেয় বস্ত্র নতুন হলেও নাপাক হওয়ার বিষয়ে নিশ্চিত না হলে তা পাক ধরা হবে। নিছক সন্দেহ বা মনের ধারণার ভিত্তিতে তা নাপাক বলা যাবে না। নতুন কাপড়ে যেহেতু নাপাক লাগার কোনো আলামত পাওয়া যায় না...
একটি বড় গোসলখানায় আমরা কয়েকজন একসাথে গোসল করছিলাম। এক ভাই শুধু সাদা একটা লুঙ্গি পরে গোসল করছিলেন। উপর গামছা বা অন্য কিছু ছিল না। ফলে লুঙ্গি ভিজে শরীরের সাথে লেগে থাকার কারণে শরীরের রং স্পষ্ট বুঝা যাচ্ছিল। আমি বললাম, ভাই আপনার তো ফরয তরক হচ্ছে। সে বলল কেন? আমি তো লুঙ্গি পরে আছি। আমি বললাম, লুঙ্গি পরে থাকলেও স্পষ্টত দেখা যাচ্ছে। যাহোক তার সাথে এ নিয়ে কিছু বিতর্কও হল। এখন প্রশ্ন হল, এ অবস্থায় কি সতর ঢাকার ফরয আদায় হবে? এবং কার সামনে এরূপ ঘটলে তার তার জন্য কি হুকুম?
খাওয়া-পোশাক
যে কাপড় পরিধান করার পরও শরীরের রং দেখা যায় সে কাপড় দ্বারা সতর ঢাকার হক আদায় হয় না। তদ্রূপ লুঙ্গি ইত্যাদি ভিজলে যদি শরীরের রং ও আকার-আকৃতি কাপড়ের উপর থেকে বুঝা যায় তাহলে লোকজনের সামনে সে কাপড় পরে গোসল...
আমাদের এলাকায় প্রচলন যে, আযান-ইকামতে ‘আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্লাহ’ বলার সময় তর্জনীতে চুমু খেয়ে চোখে বুলিয়ে দেওয়া। হযরত আবু বকর রা. নাকি এই আমল করতেন এবং বর্ণনা করতেন যে, যে ব্যক্তি তা করবে তার জন্য রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর শাফায়াত ওয়াজিব হয়ে যাবে। জানতে চাই এই হাদীসটি সহীহ কি না?
খাওয়া-পোশাক
প্রশ্নোক্ত আমলটি এবং এ সম্পর্কিত বর্ণনা মূলত ‘মুসনাদে দাইলামী’তে রয়েছে। প্রখ্যাত হাদীস-বিশারদগণ বর্ণনাটি ভিত্তিহীন ও জাল বলেছেন। হাফেয সাখাভী রাহ. বলেন, এটি প্রমাণিত নয়। (আলমাকাসিদুল হাসানাহ ৪৫০-৪৫৯)...
গায়রে মাহরাম মহিলার ঝুটা খাওয়া পুরুষের জন্য জায়েয কি না? এর হুকুম কী? তদ্রূপ পুরুষের ঝুটা গায়রে মাহরাম মহিলার খাওয়ার হুকুম কী?
খাওয়া-পোশাক
গায়রে মাহরাম পুরুষ বা মহিলার ঝুটাও পাক। তবে কেউ গায়রে মাহরামের অবশিষ্ট খাবার বা পানীয় গ্রহণে স্বাদ বা আকর্ষণ বোধ করলে তার জন্য মাকরূহ হবে। আর আকর্ষণ না হলে, স্বাদ নেওয়ার উদ্দেশ্য না থাকলে মাকরূহ হবে...
কিছু দিন আগে আমাদের বাসায় কাজ চলাকালীন অবস্থায় কুরআন মজীদের...
খাওয়া-পোশাক
পবিত্র কাপড় বা এমন কিছু দিয়ে আবৃত করে টেবিল, আলমারি বা উপরে কোথাও রাখলে তা আরো ভালো হত। তবে ট্রাংকে করে ঐভাবে রাখার কারণে কোনো গুনাহ হয়নি। ফাতাওয়া বাযযাযিয়া ৬/৩৮০; খুলাসাতুল ফাতাওয়া ১/১০৫ উত্তর দিয়েছ...
এক ব্যক্তি শহরে থাকে। গ্রামে তার অনেক জমি রয়েছে। তা থেকে কিছু জমি সে এক দরিদ্রকে এক বছরের জন্য চাষ করে খাওয়ার জন্য দেয়। কিন্তু কিছু দিন পর জমির মালিক জমি বিক্রি করে দেয়। এদিকে ঐ জমিতে দরিদ্র ব্যক্তি ধান ক্ষেত করেছে যাতে এখনো ধান হয়নি। এখন ক্রেতা চাচ্ছে ধান ক্ষেত উঠিয়ে দিতে এবং তা উঠিয়ে নেওয়ার জন্য চাষীকে চাপ দিচ্ছে। আমার প্রশ্ন হল, উক্ত অবস্থায় কি জমি ক্রেতা ধান ক্ষেত উঠিয়ে দেওয়ার অধিকার রাখে?
খাওয়া-পোশাক
প্রশ্নোক্ত অবস্থায় মালিক যেহেতু নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ঐ ব্যক্তিকে চাষ করতে দিয়েছে তাই এখন ফসল উঠিয়ে নিয়ে জমি খালি করে দিতে বাধ্য করলে বিক্রেতার জন্য চাষীকে এর ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। আলবাহরুর রায়েক ৭/২৮৩;...
ভাতের মাড় যদি কোনো সুতি কাপড় বা অন্য কোনো কাপড়ে দেওয়া হয় তাহলে সে কাপড় পরে নামায পড়া জায়েয হবে কি না? ভাতের মাড় কি পাক?
খাওয়া-পোশাক
জ্বী, ভাতের মাড় পাক। তা কোনো কাপড়ে দেওয়া হলে তা পরে নামায পড়তে কোনো অসুবিধা নেই। উত্তর দিয়েছেন : মাসিক আল-কাওসার
এক খতীব সাহেবকে জুমআর বয়ানে বলতে শুনেছি যে, মোজার উপর মাসেহ বৈধ হওয়ার জন্য তা চামড়ার হওয়া জরুরি নয়। বরং আমাদের দেশে প্রচলিত সব ধরনের মোজার উপর মাসেহ করা জায়েয। চাই তা সুতার হোক বা পশমের হোক বা অন্য কোনো কিছুর হোক। জানতে চাই, তার এ কথা কতটুকু সঠিক?
খাওয়া-পোশাক
খতীব সাহেবের ঐ কথা ঠিক নয়। চামড়ার মোজার উপর মাসেহ জায়েয আছে। কিন্তু চামড়া ছাড়া সুতা বা পশমের তৈরি যেসব মোজা সচরাচর পাওয়া যায় এর উপর মাসেহ সহীহ নয়। তবে সুতা বা পশমের মোজায় নিম্নোক্ত শর্তগুলো পাওয়া গেল...
আমার এক আত্মীয়ের ছোট বাচ্চা আছে, যার বয়স এক বছর আট মাস। সে এখনো অন্যান্য খাবার মুখে নিতে চায় না। বুকের দুধের উপরই অনেকটা নির্ভরশীল। প্রশ্ন হল, সর্বোচ্চ কতদিন তাকে বুকের দুধ খাওয়ানো যাবে?
খাওয়া-পোশাক
শিশুকে বুকের দুধ পান করানোর সময়সীমা হল, জন্ম থেকে চান্দ্র মাস হিসাবে দু’বছর। এরপর শিশুকে বুকের দুধ পান করানো জায়েয নয়। কুরআন, হাদীস এবং সাহাবায়ে কেরাম ও তাবেয়ীগণের বর্ণনামতে এটাই প্রমাণিত ও অনুসরণীয়।...
বাচ্চা দুধ পান করা অবস'ায় অনেক সময় মায়ের কোলে বমি করে দেয়। আবার কখনো দুধ পান করার পর বমি করে দেয়। বমির পরিমাণ কখনো বেশি হয় কখনো কম। প্রশ্ন এই যে, এই কাপড় পরিধান করে নামায পড়া যাবে কি?
খাওয়া-পোশাক
দুধের শিশুর বমিও বড়দের মতো একই হুকুমের অন-র্ভুক্ত। অর্থাৎ মুখ ভর্তি বমি হলে তা নাপাক। আর মুখ ভর্তি না হলে নাপাক নয়। উল্লেখ্য, দুধ পান করার পরক্ষণে বমি করলেও উপরোক্ত হুকুম প্রযোজ্য হবে। হ্যাঁ, খাবার গ...
فتوی دریافت کریں
اپنے دینی سوال کا جواب حاصل کرنے کے لیے نیچے دیا گیا فارم پُر کریں۔