دینی سوالات کے جوابات اور فتاوی
আমার বাসা উত্তরায় আর অফিস গাজীপুরে। প্রতিদিন বাসা থেকে গিয়ে অফিস করি। যাতায়াতে ভীষণ কষ্ট হয়। এ ছাড়া খরচ তো আছেই। তাই গাজীপুরে বাসা খুজছিলাম। ইতিমধ্যে এক ব্যক্তির সাথে পরিচয় হল, যার বাসা গাজীপুরে আর অফিস উত্তরায় এবং আমার মতোই বাসা থেকে যাতায়াত করে অফিস করেন। আমি তাকে প্রস্তাব করি যে, উত্তরায় আমার নিজস্ব বাসা আছে। আপনি সেখানে থাকবেন বিনিময়ে আপনার এই বাসায় আমি থাকব। যেহেতু তিনিও আমার মতোই কষ্টের শিকার তাই তিনি আমার প্রস্তাবে রাজি হয়ে যায়। এখন জানার বিষয় হল, এভাবে চুক্তি করা জায়েয আছে কি? যদি জায়েয না হয় তাহলে এই ধরনের ক্ষেত্রে সহীহ পদ্ধতি কী হবে?
ব্যবসা-চাকুরী
প্রশ্নোক্ত চুক্তিটি সঠিক হয়নি; বরং এই ধরনের ক্ষেত্রেও ভাড়া দেওয়ার স্বাভাবিক নিয়মেই একে অন্যের কাছে টাকার বিনিময়ে ঘর ভাড়া দিবে। এক্ষেত্রে উভয় বাড়ির ভাড়া সমান সমান হলে ভাড়ার টাকা পরস্পরে আদান প্রদান কর...
আমাদের দেশের বাড়িতে অনেক সুপারি গাছ আছে। সুপারি আমরা লোকদের দিয়ে সুপারি পাড়িয়ে থাকি। তাদের সাথে এভাবে চুক্তি হয় যে, বড় গাছ হলে ৫টি আর মাঝারি বা ছোট গাছ হলে ৪টি মাঝারি ধরনের সুপারি তাদেরকে দেওয়া হবে। জানতে চাই, উক্ত চুক্তিতে কোনো সমস্যা আছে কি না? উল্লেখ্য যে, তাদের সাথে চুক্তি হওয়ার সময় এ কথা বলা হয় না যে, তাদের পাড়া সুপারি থেকে তাদের অংশ দেওয়া হবে।
ব্যবসা-চাকুরী
এভাবে চুক্তি করা বৈধ হয়েছে। সুনানে দারাকুতনী ৩/৪৭; বুহুস ফী কাযায়া ফিকহিয়্যাহ মুআছিরা ২/২১৭; ফাতাওয়া হিন্দিয়া ৪/৪৪৪; ফাতাওয়া বাযযাযিয়া ৫/৩৫; আলমুহীতুল বুরহানী ১১/৩৩৩; ইলাউস সুনান ১৬/১৮১ উত্তর দিয়েছেন...
এক ব্যক্তি আমাকে গেঞ্জি তৈরির অর্ডার দিয়েছে। তার সাথে আমার যেভাবে চুক্তি হয়েছে হিসাব করে দেখি যে, প্রতি গেঞ্জিতে (আনুমানিক) আমার খরচ হবে ১৫০/- টাকা আর আমার লাভ হবে ৩/- টাকা। কিন্তু আমার কাছে প্রতি গেঞ্জির জন্য ১০০/- টাকা করে আছে। এ কারণে আরেক ব্যক্তির সাথে এভাবে চুক্তি করেছি যে, সে আমার এ কাজে প্রতি গেঞ্জির জন্য ৫০/- টাকা করে বিনিয়োগ করবে। প্রতি গেঞ্জিতে যেহেতু লাভ ৩/- টাকা। তাই তাকে আমি ১/- টাকা করে দিব। অর্থাৎ সে প্রতি ৫০/- টাকায় ১/- টাকা পাবে। জানার বিষয় হল বিনিয়োগকারীর সাথে ৩/- টাকা লাভ থেকে ১/- টাকা নির্ধারিত হিসাবে দেওয়ার চুক্তি সহীহ হয়েছে কি না? যদি জায়েয না হয় তাহলে শতকরা হারে লাভ দেওয়ার শর্তে চুক্তি করা জায়েয হবে কি?
ব্যবসা-চাকুরী
প্রশ্নোক্ত ক্ষেত্রে বিনিয়োগকারীকে প্রতি গেঞ্জি বাবদ ১/- টাকা করে দেওয়ার শর্ত করা সহীহ হয়নি। যৌথ মূলধনী কারবারে কোনো পক্ষকে নির্ধারিত অংকে লাভ দেওয়ার চুক্তি করা নাজায়েয। এটা সুদী কারবারের অন্তর্ভুক্ত।...
আমরা তিন বন্ধু মিলে এ মর্মে চুক্তি করেছি যে, আমি ৪,০০০/- টাকা, বাকি দু’জন ৩,০০০/- টাকা করে ৬,০০০/- টাকা, মোট ১০,০০০/- টাকা দিয়ে দুটি রিকশা ক্রয় করব এবং যে দুই জন ৩,০০০/- টাকা করে দিয়েছে তারা রিকশা চালাবে। যা আয় হবে তা সবার মাঝে সমান ভাগে ভাগ হবে। আমার জানার বিষয় হল, এ ধরনের চুক্তি বৈধ হবে কি না? বৈধ না হলে বৈধ পদ্ধতি কী হবে? উল্লেখ্য যে, তারা ৩,০০০/- টাকা করে টাকা দিয়েছে তাদের কাছে বর্তমানে টাকা না থাকায় আমি তাদেরকে ৬,০০০/- টাকা ঋণ দিয়েছি এ শর্তে যে, তারা তা ধীরে ধীরে পরিশোধ করে দিবে
ব্যবসা-চাকুরী
ঐভাবে চুক্তি করা বৈধ হয়নি। এক্ষেত্রে উপার্জনের মধ্যে ভাগাভাগি পদ্ধতি সহীহ নয়। সহীহ পদ্ধতি হল ভাড়া-চুক্তি অনুসরণ করা। যেমন দুটি রিকশায় আপনার যে অংশ আছে তা আপনি চালককে/অংশীদারকে টাকার নির্দিষ্ট অংকের ব...
এক বন্ধুর কাছে আমার ১০,০০০/- টাকা পাওনা ছিল। সে ব্যবসার জন্য আমার কাছে টাকা চাইলে আমি বললাম, এ মুহূর্তে আমার নিকট টাকা নেই। তোমার কাছে আমার যে ১০, ০০০/- টাকা পাওনা আছে তা দিয়ে ব্যবসা কর। ঐ টাকা এখন আমার প্রয়োজন নেই। পরবর্তীতে ব্যবসায় যা লাভ হবে এর অর্ধেক আমার অর্ধেক তোমার। এভাবে চুক্তি করা কি সহীহ হয়েছে? সহীহ না হলে কী করণীয়?
ব্যবসা-চাকুরী
ঋণগ্রহীতা থেকে পাওনা টাকা হস্তগত করার আগে তা ঋণগ্রহীতাকে ব্যবসার পুঁজি হিসাবে দেওয়ার প্রস্তাব বৈধ নয়। তাই প্রশ্নোক্ত চুক্তিটি সহীহ হয়নি। তবে ঋণদাতা যদি ঐ টাকা ঋণগ্রহীতা থেকে বুঝে নেওয়ার পর পুনরায় ব্য...
অনেক সময় দেখা যায়, যে সমস্ত দোকানে পণ্যের মূল্য ফিক্সড নয় সে সকল দোকানে ক্রেতা ও বিক্রেতার মাঝে পণ্যের দাম নিয়ে দরকষাকষি হয়। পণ্যের দাম মনপুত হলে ক্রেতা পণ্য ক্রয় করে। মনপুত না হলে দোকান থেকে চলে যায়। অনেক সময় দেখা যায়, ক্রেতা যখন দোকান থেকে বের হয়ে কিছু দূর চলে আসে তখন বিক্রেতা ক্রেতাকে পণ্য নেওয়ার জন্য ডাকতে থাকে। ক্রেতা ফিরে না আসলে তাকে তিরস্কারমূলক কথাও বলে থাকে। আবার অনেক সময় দেখা যায় যে, বিক্রেতা অনেক সময় ধরে ক্রেতাকে পণ্য দেখানোর পর ক্রেতার পছন্দ না হলে সে যখন দোকান থেকে চলে আসে তখন তাকেও তিরস্কারমূলক কথা বলা হয়। এখন আমার জানার বিষয় হল, প্রশ্নোক্ত ক্ষেত্রে ক্রেতা ঐ পণ্যটি ক্রয় করতে বাধ্য কি না এবং উভয়ক্ষেত্রে সে ভর্ৎসনার যোগ্য হবে কি না। জানিয়ে বাধিত করবেন।
ব্যবসা-চাকুরী
ক্রয়-বিক্রয় সম্পন্ন হওয়ার জন্য একই মজলিসে প্রস্তাবও গ্রহণ সম্পন্ন হওয়া জরুরি। সুতরাং প্রশ্নের বর্ণনা অনুযায়ী ক্রেতা পণ্যের মূল্য প্রস্তাব করার পর বিক্রেতা তা গ্রহণ না করার কারণে বিক্রি চুক্তি সম্পন্ন...
আমাদের টিনশেড রুমের ছাদে কিছু ছিদ্র ছিল। বৃষ্টির সময় পানি পড়ত। একজন মিস্ত্রির সাথে চুক্তি করা হয় যে, ১,০০০/- টাকার বিনিময়ে সে ছাদটি মেরামত করে দিবে কোনো জায়গা দিয়ে যদি পানি পড়ে তাহলে সে কোনো টাকা নিবে না। মেরামতের পর দেখা গেল, কিছু জায়গা দিয়ে এখনো পানি পড়ে। জানতে চাই, তাকে টাকা দিতে হবে কি না? চুক্তিতে উল্লেখিত পারিশ্রমিক সে পাবে কি না?
ব্যবসা-চাকুরী
প্রশ্নোক্ত ক্ষেত্রে মিস্ত্রি পূর্ব ধার্যকৃত পারিশ্রমিক পাবে না; বরং সে যতটুকু মেরামত করতে পেরেছে এর ন্যায্য পারিশ্রমিক পাবে। সুতরাং সে অনুযায়ী তার পাওনা দিয়ে দিতে হবে। এখনো কোনো জায়গা দিয়ে পানি পড়ার...
আমি একটি ধান মাড়ানোর মেশিন কিনেছিলাম এবং প্রতি বছর আমি নিজেই তা দ্বারা ধান মাড়িয়ে কিছু টাকা উপার্জন করতাম। কিন্তু এখন দুর্বলতার কারণে একা কাজ করতে পারি না। আমার এক বন্ধুর একটি রাইস মিল আছে। আমি পরিকল্পনা করেছি যে, আমার মেশিনটি তার রাইস মিলে স্থাপন করব এবং দুজনেই ঐ মেশিন দিয়ে কাজ করব। আমার যা উপার্জন হবে তা আমরা সমানভাবে ভাগ করে নিব। জানার বিষয় এই যে, আমার জন্য তার সাথে এই চুক্তি করা জায়েয হবে কি না? জানিয়ে বাধিত করবেন।
ব্যবসা-চাকুরী
হ্যাঁ, প্রশ্নোক্ত চুক্তিটি জায়েয। আলমুহীতুল বুরহানী ৮/৩৯৭; আলবাহরুর রায়েক ৫/১৮১; ফাতাওয়া হিন্দিয়া ২/৩৩৪; রদ্দুল মুহতার ৪/৩২২ উত্তর দিয়েছেন : মাসিক আল-কাওসার
এক ব্যক্তি কিছু মাল জমা করে রেখেছে এই উদ্দেশ্যে যে, দাম বাড়লে তা বিক্রি করবে। এমতাবস্থায় একজন তার কাছে কিছু টাকা ধার চাইল। তখন সে বলল, আমার কাছে টাকা নেই তবে এই মাল আছে। তারপর তাদের মাঝে এই মর্মে চুক্তি হল যে, টাকার পরিবর্তে মাল নিবে এবং পরে তার স্টককৃত অন্যান্য মাল যে দামে বিক্রি হবে সে হিসাবে এই মালের মূল্য পরিশোধ করবে। এ রকম চুক্তিতে কোনো সমস্যা আছে কি?
ব্যবসা-চাকুরী
প্রশ্নোক্ত পদ্ধতিতে বেচা-কেনা জায়েয় হবে না। কারণ এতে প্রথমত মূল্য সুনির্দিষ্ট হয়নি। দ্বিতীয়ত অবশিষ্ট মালগুলো কবে বিক্রি হবে এবং কোন মূল্যে বিক্রি হবে তাও অজানা। আর শরীয়তে মেয়াদী ক্রয়-বিক্রয় সহীহ হওয়া...
কয়েক মাস আগে আমি কেয়ারটেকারের একটি চাকুরি নিয়েছি। আমার মালিক একজন উচ্চপদস্থ সরকারী কর্মকর্তা। আমি অবগত হয়েছি যে, তার আয়ের একটি অংশ হচ্ছে সুদ-ঘুষ। জানতে চাই, এ মালিকের চাকুরি করার কী হুকুম হবে?
ব্যবসা-চাকুরী
আপনার কর্তা যেহেতু একজন উচ্চপদস্থ অফিসার। তাই তার বেতনও বেশি হবে। যা থেকে আপনার বেতন দেওয়া সহজেই সম্ভব। এ হিসাবে সেখানে চাকুরি করা এবং তার দেওয়া বেতন গ্রহণ করা অবৈধ হবে না। হ্যাঁ, কখনো হারাম উপার্জন...
فتوی دریافت کریں
اپنے دینی سوال کا جواب حاصل کرنے کے لیے نیچے دیا گیا فارم پُر کریں۔