ইসলামী ফতোয়া
ধর্মীয় প্রশ্নের উত্তর ও ফতোয়া সমূহ
আমি সাইনোসাইটিস রোগে আক্রান্ত। ডাক্তার শরীরে ঠাণ্ডা লাগাতে নিষেধ করেছেন। আর বাস্তবতা হল, সামান্য ঠাণ্ডা লাগলেই মাথাব্যাথা আরম্ভ হয় এবং সর্দি লেগে যায়। এ অবস্থায় রাতে গোসল ফরয হলে আমি তায়াম্মুম করতে পারব কি না? যদি করা যায় তাহলে গোসলের তায়াম্মুমের নিয়মসহ জানিয়ে বাধিত করবেন।
চিকিৎসা
উল্লেখিত অবস্থায় যদি গরম পানি ব্যবহারের সুযোগ থাকে কিংবা গরমের দিন স্বাভা...
আমি এবং রফিক মুদারাবা চুক্তিতে পাটের ব্যবসা শুরু করি। শ্রম আমার আর মূলধন রফিকের। আমরা মুকসুদপুর বাজারে একটি দোকান ও গুদাম ভাড়া নিয়েছি। পাটের সিজনে পাট ক্রয়ের জন্য অনেক সময় আমাকে নিকটে ও দূরে যেতে হয়। আমার নিজের মোটরসাইকেল আছে। আমি তাতে যাতায়াত করি। যাওয়া-আসার পথে মোটরসাইকেলে যে তেল খরচ হয় আমি তা মুদারাবা সম্পদ থেকে নিতে পারব কি? অনুরূপভাবে দোকানের সাইনবোর্ড স্থাপন এবং মাল গাড়িতে উঠানো ও নামানোর লেবার খরচ মুদারাবার সম্পদ থেকে নিতে পারব কি? জানিয়ে বাধিত করবেন।
ব্যবসা-চাকুরী
...
হিন্দুদের সালামে কী বলব?
আদব-ব্যবহার
কোনো হিন্দু বা বিধর্মী সালাম দিলে জবাবে শুধু ‘‘ওয়া আলাইকুম’’ বলবেন। হাদীস...
আমি মাদরাসায় পড়ি। আববা ও অন্যান্য আত্মীয়-স্বজন মাদরাসায় যাওয়ার ভাড়া, নাশতা বাবদ বিভিন্ন সময় টাকা দিয়ে থাকেন। ঐ টাকা থেকে যৎসামান্য বাঁচিয়ে বই কেনা, কাগজ-কলম ইত্যাদি কাজে খরচ করি। তারা যেহেতু ভাড়া, নাশতার জন্য দিচ্ছেন তাই এ সকল কাজে খরচ করা জায়েয হবে কি?
ব্যবসা-চাকুরী
...
অনেক সময় আমরা সালাম দেওয়ার ক্ষেত্রে একে অপরকে একসাথে সালাম দিয়ে ফেলি। এক্ষেত্রে আমাদের করণীয় কী? একজন আলেম বলেছেন, এমন হলে উভয়কেই উত্তর দিতে হবে। তার কথাটি কি ঠিক? আর যেক্ষেত্রে একটু আগ-পর করে সালাম দেওয়া হয় সেক্ষেত্রেও কি উভয়কে উত্তর দিতে হবে? জানিয়ে বাধিত করবেন।
আদব-ব্যবহার
উক্ত আলেম ঠিকই বলেছেন। দুজন পরস্পরকে একসাথে সালাম দিলে প্রত্যেককে অন্যের স...
পুরান ঢাকার কিছু এলাকায় বিগত ৩-৪ বছর আগে একটি মর্টগেজ ভাড়াটিয়া ব্যবস্থা চালু হয়েছে এবং ক্রমেই তা দ্রুত বিস্তার ঘটছে। মূলত বাড়িওয়ালাদের অর্থের প্রয়োজন মেটাতেই এই মর্টগেজ ভাড়াটিয়া ব্যবস্থাটি চালু হয়েছে। যার বিবরণ এই যে, বাড়ি বা ফ্ল্যাটের মালিকদের তিন বা পাঁচ লক্ষ টাকা একত্রে প্রদান করে মর্টগেজ ভাড়াটিয়া বাড়ি বা ফ্ল্যাটে উঠে। ব্যবহৃত গ্যাস, বিদ্যুৎ এবং পানির বিলই তারা কেবল পরিশোধ করে। মাসিক কোনো ভাড়া তাদের দিতে হয় না। একসঙ্গে নগদ তিন-পাঁচ লক্ষ টাকা প্রদানের কারণেই বিনা ভাড়ায় বসবাসের এমন ব্যবস্থা। রীতিমতো দলিল-দস্তাবেজ করেই পরস্পর চুক্তিবদ্ধ হয়। তিন বা পাঁচ বছর মেয়াদে সাধারণত চুক্তি হয়ে থাকে। চুক্তির সময়সীমা অতিক্রমের পর বাড়িওয়ালাকে শুরুতে দেওয়া তিন বা পাঁচ লক্ষ টাকা মর্টগেজ ভাড়াটিয়াকে একত্রে ফেরত দিতে হয়। অর্থাৎ চুক্তির মেয়াদকাল পর্যন্ত মর্টগেজ ভাড়াটিয়া বিনা ভাড়ায় থাকবে। কেবল গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানির বিল পরিশোধ করবে। চুক্তির মেয়াদ শেষে লগ্নির পুরো টাকা একত্রে ফেরত নেবে। কোনো কারণে বাড়িওয়ালা অর্থ ফেরত দিতে অক্ষম হলে তাদের মধ্যে পুনরায় নতুন করে চুক্তিপত্র সম্পাদন করে আগের নিয়মেই ফ্ল্যাট বা বাড়িতে বিনা ভাড়ায় বসবাস করতে পারবে। ব্যবস্থাটি ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই এ বিষয়ে শরীয়তের বিধান বিস্তারিত দলিল-প্রমাণসহ জানিয়ে বাধিত করবেন।
ব্যবসা-চাকুরী
...
একবার বটিতে লেগে আমার পা অনেকটা কেটে যায়। ডাক্তার সাহেব প্রথমে সেলাই করে ব্যান্ডেজ করে দিয়েছেন। এবং ক্ষতির আশঙ্কা ব্যক্ত করে তিন চারদিন আগে খুলতে মানা করেছেন। তাই আমাকে ব্যান্ডেজের উপর মাসাহ করতে হচ্ছে। হুযুরের নিকট আমার জানার বিষয় হলো, ব্যান্ডেজের উপর মাসাহ করলে কি পুরো ব্যান্ডেজ মাসাহ করতে হবে নাকি অধিকাংশের উপর মাসাহ করলেও যথেষ্ট হবে?
চিকিৎসা
...
আমার বড় ভাই আমাকে মুদারাবার ভিত্তিতে পাঁচ লক্ষ টাকা দিয়েছেন এবং লভ্যাংশের ৪০% তাকে দিতে বলেছেন। আমি সে টাকা দিয়ে একটি দোকান ভাড়া নেই এবং তাতে মুদি ব্যবসা শুরু করি। বর্তমানে দোকানে একজন কর্মচারী প্রয়োজন। তাই প্রশ্ন হল, উক্ত দোকানের জন্য কি কর্মচারী রাখা যাবে? নাকি সব কাজ আমাকেই করতে হবে? আর কর্মচারী রাখা হলে তার খরচ কে বহন করবে? দয়া করে জানালে উপকৃত হব।
ব্যবসা-চাকুরী
...
আমাদের সমাজে নারীদেরকে স্বামীর মৃত্যুর পর তার জন্য শোক প্রকাশার্থে সাজসজ্জা থেকে বিরত থাকতে দেখা যায়। তাছাড়া বিধবা নারীদের সাদা কাপড় পরিধান করার প্রচলন প্রায় সব অঞ্চলেই আছে। অনেকে এটিকে শুধু একটি সামাজিক প্রথা মনে করে থাকে। আবার অনেকে এটিকে শরীয়তের বিধান মনে করলেও এ ব্যাপারে এতটা যত্নশীল নয়। তদ্রূপ অনেকে এসব বিষয়কে কুসংস্কার বলেও মন্তব্য করে থাকে। জানার বিষয় হল, আসলে এ বিষয়ে শরীয়তের নির্দেশনা কী? স্বামীর মৃত্যুর পর একজন স্ত্রীর এ ব্যাপারে করণীয় কী?
আদব-ব্যবহার
...
আমি বিগত ২০০৯ সালে ই-লিংকস নামক একটি মাল্টি লেভেল মার্কেটিং কোম্পানিতে জয়েন করি এবং ৩ বছর কাজ করি। তাতে আমার কাছে ২ লক্ষ টাকার মতো সঞ্চয় হয়েছে। প্রশ্ন হল, এই টাকা আমার জন্য হালাল হবে নাকি হারাম? কোম্পানির প্রোডাক্ট : বায়ো এনার্জেটিক ব্রেসলেট। প্রজেক্ট সিস্টেম : কোম্পানি থেকে কেউ বেনিফিটেড হতে চাইলে তাকে প্রথমে একটা প্রোডাক্ট ক্রয় করতে হবে। প্রডাক্ট ক্রয় করলে সে কোম্পানির একজন মেম্বার হয়ে যাবে। মেম্বার হওয়ার জন্য আলাদা কোনো চার্জ দিতে হয় না বা টাকা দিয়ে মেম্বার হওয়া যায় না। বরং প্রোডাক্ট ক্রয়ের মাধ্যমেই মেম্বার হতে হয়। মেম্বার হওয়ার পর যদি একটি প্রোডাক্ট সেল করাতে পারি তাহলে সাথে সাথে এসপি (ডাইরেক্ট সেল) বাবদ ৩৫০/- টাকা দেওয়া হয়। মনে করি, আমি একটি প্রোডাক্ট সেল করার কারণে ডিরেক্ট সেল বাবদ আমাকে ৩৫০/- টাকা দিয়ে দিল কোনো শর্ত ছাড়া। আবার আরেকটি সেল করার দ্বারা আবার কোনো শর্ত ছাড়া আমাকে ৩৫০/- টাকা দিয়ে দিত। এবং আমার বাম ও ডানে জোড়া মিলার কারণে আরো ৫০০/- টাকা দিয়ে দিত। এখন আমার নিচে যদি সেল হয় তাহলে যে স্পন্সর করবে সে সেলের জন্য ৩৫০/- টাকা পেয়ে যাবে। এবং আমার ডান-বামে জোড়া মিলে যাওয়ার কারণে আমি কমিশন পেয়ে যাব। মোটকথা হল আমি ঐ কোম্পানিতে ৩ বছর ছিলাম। তাতে যা উপার্জন করেছি তার ৯৫ ভাগ আমি সবার মাঝে খরচ করেছি (যা সবাই করে না।) এখন ৬ মাস আগে আমি তা ছেড়ে দিয়েছি। আমার কাছে আনুমানিক ২ লক্ষ টাকা লাভ আছে। আমার জন্য এ টাকা হালাল হবে নাকি হারাম? কেননা এই টাকাটা একটা ব্যবসায় লাগিয়েছি, যা থেকে প্রত্যেক মাসে কিছু লাভ আসে।
ব্যবসা-চাকুরী
...
ফতোয়া জিজ্ঞাসা করুন
আপনার ধর্মীয় প্রশ্নের উত্তর পেতে নিচের ফর্ম পূরণ করুন।