دینی سوالات کے جوابات اور فتاوی

আমি এবং রফিক মুদারাবা চুক্তিতে পাটের ব্যবসা শুরু করি। শ্রম আমার আর মূলধন রফিকের। আমরা মুকসুদপুর বাজারে একটি দোকান ও গুদাম ভাড়া নিয়েছি। পাটের সিজনে পাট ক্রয়ের জন্য অনেক সময় আমাকে নিকটে ও দূরে যেতে হয়। আমার নিজের মোটরসাইকেল আছে। আমি তাতে যাতায়াত করি। যাওয়া-আসার পথে মোটরসাইকেলে যে তেল খরচ হয় আমি তা মুদারাবা সম্পদ থেকে নিতে পারব কি? অনুরূপভাবে দোকানের সাইনবোর্ড স্থাপন এবং মাল গাড়িতে উঠানো ও নামানোর লেবার খরচ মুদারাবার সম্পদ থেকে নিতে পারব কি? জানিয়ে বাধিত করবেন।

ব্যবসা-চাকুরী
পাট ক্রয়ের জন্য কোথাও গেলে বা ব্যবসার কোনো কাজে কোথাও যাতায়াতের কারণে বাস্তবে মোটর সাইকেলে যে পরিমাণ তেল খরচ হয় তা ব্যবসার সম্পদ থেকে নিতে পারবেন। খরচের অতিরিক্ত তেল নেওয়া যাবে না। আর বিনিয়োগকার...
অজ্ঞাত মুফতি
08 Sep, 2025

আমি মাদরাসায় পড়ি। আববা ও অন্যান্য আত্মীয়-স্বজন মাদরাসায় যাওয়ার ভাড়া, নাশতা বাবদ বিভিন্ন সময় টাকা দিয়ে থাকেন। ঐ টাকা থেকে যৎসামান্য বাঁচিয়ে বই কেনা, কাগজ-কলম ইত্যাদি কাজে খরচ করি। তারা যেহেতু ভাড়া, নাশতার জন্য দিচ্ছেন তাই এ সকল কাজে খরচ করা জায়েয হবে কি?

ব্যবসা-চাকুরী
হ্যাঁ, ঐ টাকা থেকে বাঁচিয়ে বইপত্র, কাগজ-কলম ইত্যাদি কিনতে পারবেন। কেননা ঐ টাকা আপনাকে খরচের জন্যই দেওয়া হয়েছে। তাই এর মালিক আপনিই। সুতরাং যে কোনো প্রয়োজনে তা খরচ করতে পারবেন। আলমাবসূত, সারাখসী ১২...
অজ্ঞাত মুফতি
08 Sep, 2025

পুরান ঢাকার কিছু এলাকায় বিগত ৩-৪ বছর আগে একটি মর্টগেজ ভাড়াটিয়া ব্যবস্থা চালু হয়েছে এবং ক্রমেই তা দ্রুত বিস্তার ঘটছে। মূলত বাড়িওয়ালাদের অর্থের প্রয়োজন মেটাতেই এই মর্টগেজ ভাড়াটিয়া ব্যবস্থাটি চালু হয়েছে। যার বিবরণ এই যে, বাড়ি বা ফ্ল্যাটের মালিকদের তিন বা পাঁচ লক্ষ টাকা একত্রে প্রদান করে মর্টগেজ ভাড়াটিয়া বাড়ি বা ফ্ল্যাটে উঠে। ব্যবহৃত গ্যাস, বিদ্যুৎ এবং পানির বিলই তারা কেবল পরিশোধ করে। মাসিক কোনো ভাড়া তাদের দিতে হয় না। একসঙ্গে নগদ তিন-পাঁচ লক্ষ টাকা প্রদানের কারণেই বিনা ভাড়ায় বসবাসের এমন ব্যবস্থা। রীতিমতো দলিল-দস্তাবেজ করেই পরস্পর চুক্তিবদ্ধ হয়। তিন বা পাঁচ বছর মেয়াদে সাধারণত চুক্তি হয়ে থাকে। চুক্তির সময়সীমা অতিক্রমের পর বাড়িওয়ালাকে শুরুতে দেওয়া তিন বা পাঁচ লক্ষ টাকা মর্টগেজ ভাড়াটিয়াকে একত্রে ফেরত দিতে হয়। অর্থাৎ চুক্তির মেয়াদকাল পর্যন্ত মর্টগেজ ভাড়াটিয়া বিনা ভাড়ায় থাকবে। কেবল গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানির বিল পরিশোধ করবে। চুক্তির মেয়াদ শেষে লগ্নির পুরো টাকা একত্রে ফেরত নেবে। কোনো কারণে বাড়িওয়ালা অর্থ ফেরত দিতে অক্ষম হলে তাদের মধ্যে পুনরায় নতুন করে চুক্তিপত্র সম্পাদন করে আগের নিয়মেই ফ্ল্যাট বা বাড়িতে বিনা ভাড়ায় বসবাস করতে পারবে। ব্যবস্থাটি ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই এ বিষয়ে শরীয়তের বিধান বিস্তারিত দলিল-প্রমাণসহ জানিয়ে বাধিত করবেন।

ব্যবসা-চাকুরী
মর্টগেজ ভাড়ার এ লেনদেন সম্পূর্ণ নাজায়েয। এটি সুদী লেনদেন। এককালীন ফেরতযোগ্য কিছু টাকা দিয়ে বিনিময়ে বন্ধকী বাড়ি বা ফ্ল্যাটে বসবাস করাটা মূলত ঋণের বিনিময়ে সুবিধা ভোগ করা, যা হারাম। তাই মর্টগেজ ভা...
অজ্ঞাত মুফতি
08 Sep, 2025

আমার বড় ভাই আমাকে মুদারাবার ভিত্তিতে পাঁচ লক্ষ টাকা দিয়েছেন এবং লভ্যাংশের ৪০% তাকে দিতে বলেছেন। আমি সে টাকা দিয়ে একটি দোকান ভাড়া নেই এবং তাতে মুদি ব্যবসা শুরু করি। বর্তমানে দোকানে একজন কর্মচারী প্রয়োজন। তাই প্রশ্ন হল, উক্ত দোকানের জন্য কি কর্মচারী রাখা যাবে? নাকি সব কাজ আমাকেই করতে হবে? আর কর্মচারী রাখা হলে তার খরচ কে বহন করবে? দয়া করে জানালে উপকৃত হব।

ব্যবসা-চাকুরী
মুদারাবা ব্যবসায় কর্মচারীর প্রয়োজন হলে ব্যবসার খরচ থেকে কর্মচারী নেওয়া যাবে। তাই প্রশ্নোক্ত ক্ষেত্রেও দোকানের জন্য কর্মচারীর প্রয়োজন হলে আপনি ব্যবসার খরচ থেকে কর্মচারী রাখতে পারবেন। তবে বিষয়টি ব...
অজ্ঞাত মুফতি
08 Sep, 2025

আমি বিগত ২০০৯ সালে ই-লিংকস নামক একটি মাল্টি লেভেল মার্কেটিং কোম্পানিতে জয়েন করি এবং ৩ বছর কাজ করি। তাতে আমার কাছে ২ লক্ষ টাকার মতো সঞ্চয় হয়েছে। প্রশ্ন হল, এই টাকা আমার জন্য হালাল হবে নাকি হারাম? কোম্পানির প্রোডাক্ট : বায়ো এনার্জেটিক ব্রেসলেট। প্রজেক্ট সিস্টেম : কোম্পানি থেকে কেউ বেনিফিটেড হতে চাইলে তাকে প্রথমে একটা প্রোডাক্ট ক্রয় করতে হবে। প্রডাক্ট ক্রয় করলে সে কোম্পানির একজন মেম্বার হয়ে যাবে। মেম্বার হওয়ার জন্য আলাদা কোনো চার্জ দিতে হয় না বা টাকা দিয়ে মেম্বার হওয়া যায় না। বরং প্রোডাক্ট ক্রয়ের মাধ্যমেই মেম্বার হতে হয়। মেম্বার হওয়ার পর যদি একটি প্রোডাক্ট সেল করাতে পারি তাহলে সাথে সাথে এসপি (ডাইরেক্ট সেল) বাবদ ৩৫০/- টাকা দেওয়া হয়। মনে করি, আমি একটি প্রোডাক্ট সেল করার কারণে ডিরেক্ট সেল বাবদ আমাকে ৩৫০/- টাকা দিয়ে দিল কোনো শর্ত ছাড়া। আবার আরেকটি সেল করার দ্বারা আবার কোনো শর্ত ছাড়া আমাকে ৩৫০/- টাকা দিয়ে দিত। এবং আমার বাম ও ডানে জোড়া মিলার কারণে আরো ৫০০/- টাকা দিয়ে দিত। এখন আমার নিচে যদি সেল হয় তাহলে যে স্পন্সর করবে সে সেলের জন্য ৩৫০/- টাকা পেয়ে যাবে। এবং আমার ডান-বামে জোড়া মিলে যাওয়ার কারণে আমি কমিশন পেয়ে যাব। মোটকথা হল আমি ঐ কোম্পানিতে ৩ বছর ছিলাম। তাতে যা উপার্জন করেছি তার ৯৫ ভাগ আমি সবার মাঝে খরচ করেছি (যা সবাই করে না।) এখন ৬ মাস আগে আমি তা ছেড়ে দিয়েছি। আমার কাছে আনুমানিক ২ লক্ষ টাকা লাভ আছে। আমার জন্য এ টাকা হালাল হবে নাকি হারাম? কেননা এই টাকাটা একটা ব্যবসায় লাগিয়েছি, যা থেকে প্রত্যেক মাসে কিছু লাভ আসে।

ব্যবসা-চাকুরী
মাল্টিলেভেল মার্কেটিং শরীয়ত পরিপন্থী একটি কারবার। এতে শরীয়ত নিষিদ্ধ আলগারার, উজরত বিলা-আমল ও আকলুল মাল বিলবাতিল ইত্যাদি বড় বড় খারাবি বিদ্যমান রয়েছে। একই কারণে ই-লিংকস কোম্পানির প্রশ্নে বর্ণিত কা...
অজ্ঞাত মুফতি
08 Sep, 2025

আমরা কয়েকজন ছাত্র মিলে একটি সংগঠন করতে চাই। এবং এই সংগঠনের কাজ হবে, যে মানুষের টাকা প্রয়োজন তাকে টাকা করজ দেওয়া। তো এক্ষেত্রে আমরা একটি হিলা (কৌশল) করতে চাই তা এই যে, সংগঠনটির পক্ষ থেকে কিছু নিয়মানুপাতে ফরম তৈরি করা হবে। ঋণ গ্রহিতা ফরমটি ক্রয় করবে এবং যে পরিমাণ টাকা ঋণ দেওয়ার কথা লেখা রয়েছে সে পরিমাণ টাকা করজ নিবে। আর এক্ষেত্রে করজকৃত টাকার পরিমাণ যত বেশি হবে ফরমের মূল্যও তত বেশি হবে। ফরমের এই টাকা দ্বারা আমরা উপকৃত হব। যথা সময়ে টাকা না দিলে পুনরায় ফরম কেনা জরুরি। এখন জানতে চাই, এই ধরনের সংগঠন এবং এই হিলা করা জায়েয আছে কি না? দয়া করে এর সমাধান জানিয়ে আমাদেরকে উপকৃত করবেন।

ব্যবসা-চাকুরী
প্রশ্নোক্ত হীলা সম্পূর্ণ হারাম। এটি ঋণ দিয়ে সুদ গ্রহণেরই নামান্তর। ফরম বিক্রি একটি ছুতামাত্র। কেননা ঋণের পরিমাণ বৃদ্ধির সাথে সাথে ফরমের দামও বাড়ে। অথচ ফরমের খরচ একই। আবার মেয়াদ শেষে ঋণের মেয়াদ বা...
অজ্ঞাত মুফতি
08 Sep, 2025

শেয়ারবাজার সম্পর্কে সর্বশেষ সিদ্ধান্ত কী? বর্তমান শেয়ারবাজারে অংশগ্রহণ করা জায়েয কি না? জায়েয হলে কি কি শর্তের সাথে জায়েয আছে জানিয়ে বাধিত করবেন।

ব্যবসা-চাকুরী
বর্তমান শেয়ারবাজারের কারবারগুলো শরীয়তের লেনদেন সংক্রান্ত নীতিমালার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। ব্যাপকভাবে সুদের মিশ্রণের সাথে সাথে বাজারটি অনেকটা জুয়ার মার্কেটের আকার ধারণ করেছে। তাই আরব দেশসহ বিশ্বের অ...
অজ্ঞাত মুফতি
08 Sep, 2025

আমার বন্ধু সুহাইলের বাসা শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত। তার সাথে আমার এ মর্মে চুক্তি হয় যে, সে একটি রুম দেবে এবং আমি একটি ফটোকপি মেশিন দিব। এ দিয়ে দুজনে একসাথে ফটোকপির ব্যবসা করব এবং উভয়েই শ্রম দিব। আর লাভ দুজনের মাঝে সমান হারে ভাগ হবে। জানার বিষয় হল, এ ধরনের শরিকানা কারবার কি বৈধ?

ব্যবসা-চাকুরী
হ্যাঁ, আপনার বন্ধুর সাথে এভাবে চুক্তি করা সহীহ হবে। ব্যবসায় লাভ হলে চুক্তি অনুযায়ী তা দুজনের মাঝে সমান হারে বণ্টিত হবে। -ফাতাওয়া তাতারখানিয়া ৭/৫০৪; রদ্দুল মুহতার ৪/৩২২; আলমুহীতুল বুরহানী ৮/৩৯৮; আ...
অজ্ঞাত মুফতি
08 Sep, 2025

এক লোক ঢাকা থাকে। আমার বাড়ির পাশে এক খন্ড জমি ক্রয় করে মাটি ভরাট করেছে। ভবিষ্যতে তার সন্তানের জন্য বাড়ি তৈরি করবে। আমি তাকে প্রস্তাব দিয়েছি যে, এ জমিতে আমি মেহগনির চারা রোপন করে পরিচর্যা করব। অতপর যখন বাড়ি বানাবেন তখন গাছগুলো বিক্রি করে প্রাপ্য টাকা উভয়ে অর্ধেক করে ভাগ করে নিব। আমাদের এ চুক্তি বৈধ হবে কি না জানাবেন।

ব্যবসা-চাকুরী
হ্যাঁ, জমির মালিকের সাথে আপনার ঐ চুক্তি বৈধ হবে, তবে এ ক্ষেত্রে কতদিন পর গাছ বিক্রি করা হবে এর একটি সময় নির্দিষ্ট করে নেওয়া আবশ্যক। গাছ বিক্রির সময় নির্ধারণ করা না হলে এ চুক্তি সহীহ হবে না। -ফাতাও...
অজ্ঞাত মুফতি
08 Sep, 2025

আমাদের এলাকায় কয়েকটি লেনদেন খুবই প্রচলিত। কিন্তু বৈধ কিনা আমার সন্দেহ হচ্ছে। নিম্নে এগুলোর বিবরণ উল্লেখ করছি। ১ম পদ্ধতি : সমিতির কাছে ঋণের আবেদন করলে সমিতি কর্তৃপক্ষ আবেদনকারীকে সরাসরি নগদ অর্থ না দিয়ে এক কৌশল অবলম্বন করে। প্রথমে সমিতির নির্ধারিত ফরম পূরণ করত: আবেদনকারীকে নিয়ে সমিতি কর্তৃক নির্ধারিত দোকানে চলে যায়। দোকানের কোন নির্দিষ্ট মালের স্ত্তপের দিকে ইঙ্গিত করে বলে যে, মালগুলি আমি (উদাহরণত) ১,০০,০০০/- (এক লক্ষ) টাকায় খরিদ করলাম। অতপর ১,০০,০০০/- (এক লক্ষ) টাকা ব্যবসায়ীর হাতে দিয়ে আবেদনকারীকে বলে এ মালগুলি সমিতি আপনার কাছে ছয়মাস মিয়াদে ১,৪০,০০০/- (এক লক্ষ চল্লিশ) হাজার টাকায় বাকিতে বিক্রি করছে। আপনি মালগুলি দোকানীর কাছে বিক্রি করে নগদ টাকা নিয়া যেতে পারেন অথবা দোকানী নিজেই ৯৯,৫০০/- (নিরানববই হাজার পাঁচশত) টাকা আবেদনকারীকে দিয়ে বলে এই মালগুলি আমি আপনার কাছ থেকে ক্রয় করলাম। ২য় পদ্ধতি : সমিতির অফিস দ্বিতীয় তলায় এবং অফিসে বিক্রয়যোগ্য কিছু মালামাল আছে। নিচ তলায় মার্কেট এবং মার্কেটে সমিতির নির্ধারিত দোকান আছে। দোকানের কাজ হল বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে মাল ক্রয় করে সমিতির অফিসে পৌঁছিয়ে দেওয়া। এ সমিতির বিনিয়োগ পদ্ধতি হল সমিতির কাছে ঋণ চাইলে সমিতি তাকে নগদ অর্থ না দিয়ে তার কাছে অফিসের রক্ষিত মাল বাকির উপর অধিক মূল্যে বিক্রি করে। অতপর ঋণপ্রার্থী উক্ত মাল নিজ আয়ত্তে নিয়ে নিচ তলার মার্কেটে সমিতির নির্ধারিত দোকানে নগদ অর্থে কম মূল্যে বিক্রি করে। এতে করে সমিতির সম্পদ সমিতির কাছেই ফিরে যায়। এবং এই বাকি ও নগদ ক্রয়ের আড়ালে সমিতির মোটা অংকের মুনাফা অর্জন হয়। আবেদনকারীর প্রয়োজনও মিটে যায়। ৩য় পদ্ধতি : ঋণ প্রার্থী একজন ব্যবসায়ী। তার ঠান্ডা পানিয় এর ব্যবসা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে এক লোকের নিকট ২০,০০০/- (বিশ হাজার) টাকা ঋণ চাইলেন। কিন্তু তিনি বিনা লাভে ঋণ দিতে প্রস্ত্তত নন। তাই তিনি এই পদ্ধতি আবিষ্কার করলেন যে ঋণপ্রার্থীর দোকানের একটি ফ্রিজ ২০,০০০/- (বিশ হাজার) টাকা মূল্যে ক্রয় করলেন এবং (মালিকানা বোঝানোর জন্য) ফ্রিজে হাত রেখে ঋণপ্রার্থীর নিকট ছয় মাসের জন্য প্রতি মাসে ১২০০ (এক হাজার দুইশত) টাকা দরে ভাড়া দিলেন। এবং শর্ত করে যে, ছয় মাস পর ঋণপ্রার্থী ঐ ফ্রিজটি পুনরায় ২০,০০০/- টাকা মূল্যে ক্রয় করে নিবেন। এতে করে বিনিয়োগ দাতা ফ্রিজের ভাড়ার নামে ছয় মাসে মুনাফা পেল ৭২০০/- (সাত হাজার দুইশত) টাকা এবং ছয় মাস পর ফ্রিজের মূল্য ফেরত বাবদ পেল ২০,০০০/- (বিশ হাজার) টাকা। ৪র্থ পদ্ধতি : এই বিনিয়োগের তরিকা হল, এক ব্যক্তি ফাল্গুন-চৈত্র মাসে প্রতি হাজারে ৩/৪ মণ ধান দরে লগ্নী করেন যা আষাঢ়-শ্রাবণ মাসে পরিশোধ যোগ্য। সমস্যা দেখা দেয় পরিশোধের সময় গরিব বেচারা এত ধান পাবে কোথায়। অথবা যারা ১/২ লক্ষ টাকা বিনিয়োগ গ্রহণ করেছেন তারা এত ধান পাবে কোথায়। সমাধান কল্পে ঐ ব্যক্তি ঋণ গ্রহীতাকে নিয়ে চলে যায় তার পূর্ব নির্ধারিত ধানের আরতে বা ধান বোঝাই নৌকায়। অতপর ঋণগ্রহীতা বাজার দর হিসাব করে ধানের যা মূল্য আসে (মনে করেন হাজারে ৩ মণ ধরে এক লক্ষ টাকার লগ্নী ধান তিন শত মণ ৫০০ (পাঁচ শত) টাকা দরে তিন শত মণ ধানের মূল্য ১,৫০,০০০/- (এক লক্ষ পঞ্চাশ) হাজার টাকা। উক্ত টাকা ঋণ গ্রহীতা নৌকা বা আড়তের ব্যাপারীকে দিয়ে বলেন যে, আমি আপনার নৌকা বা আড়ত থেকে তিনশত মণ ধান ক্রয় করিলাম। এবং তা (লগ্নীদাতাকে লগ্নী পরিশোধার্তে দিয়ে দিলাম। এবার লগ্নীদাতা যেহেতু তিন শত মণ ধানের মালিক হয়ে গেলে তাই উক্ত ধান পুনরায় নৌকা বা আড়তের ব্যাপারীর কাছে এক হাজার টাকা কমে অর্থাৎ এক লক্ষ উনপঞ্চাশ হাজার টাকায় বিক্রি করে নগদ টাকা নিয়ে আসে। এতে করে ঐ ব্যক্তি মুনাফা ও মূলধন মিলে এক লক্ষ উনপঞ্চাশ হাজার টাকা পাইলেন। নৌকা বা আড়তের ব্যাপারী উক্ত কর্মটি সম্পাদন করে দেওয়ায় এক হাজার টাকা পেলেন। উল্লেখ্য উক্ত ক্রয়বিক্রয়ে কোন মাপ বা ওজন কিছুই করা হয় না। এমনকি উক্ত নৌকা বা আড়তে তিন শত মণ ধান আছে কি না? এ ব্যাপারেও কোন খোঁজ খবর থাকে না। দলিলসহ পদ্ধতিগুলোর সমাধান দিয়া চির কৃতজ্ঞ করিবেন।

ব্যবসা-চাকুরী
প্রশ্নে বর্ণিত সবকটি লেনদেনই নাজায়েয। এসব পদ্ধতি সুদ গ্রহণের অপকৌশলমাত্র। আর সুদ যেমনিভাবে সরাসরি হারাম তেমনিভাবে তা গ্রহণের জন্য হীলা বাহানা অবলম্বন করাও হারাম। জেনে রাখা দরকার যে, ক্রয়-বিক্রয় ও...
অজ্ঞাত মুফতি
08 Sep, 2025

فتوی دریافت کریں

اپنے دینی سوال کا جواب حاصل کرنے کے لیے نیچے دیا گیا فارم پُر کریں۔