ধর্মীয় প্রশ্নের উত্তর ও ফতোয়া সমূহ
তাফসীরে মাআরিফুল কুরআন ও দুররে মানসুরে একটি হাদীস পেয়েছি। তা হল, ‘যে ব্যক্তি ফরয নামাযের পর আয়াতুল কুরসী পাঠ করবে সে মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গেই জান্নাতে প্রবেশ করবে। উভয় কিতাবে বলা হয়েছে যে, ইমাম নাসায়ী হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। কিন্তু আমি নাসায়ী শরীফে হাদীসটি খুঁজে পাইনি। মেহেরবানী করে জানাবেন যে, হাদীসটি নাসায়ী শরীফের কোথায় আছে। আর যদি নাসায়ী শরীফে না থাকে তাহলে হাদীসের কোন কিতাবে আছে আর হাদীসটির হুকুম কী?
মৃত্যু-জানাজা
উক্ত হাদীসটি ইমাম নাসায়ী রাহ. তাঁর ‘সুনানে কুবরা’ তে ‘আমালুল ইয়াউমি ওয়াললাইল’ অধ্যায়ে উল্লেখ করেছেন। হাদীস নং ৯৯২৮। আর দরসে নেযামীতে পঠিত নাসায়ী শরীফ নামে যে প্রসিদ্ধ কিতাব রয়েছে তা সুনানে কুবরা থেকে...
আমরা একটি গ্রামে কিছু জমি ক্রয় করি। জমির মালিক জমি মেপে আমাদের বুঝিয়ে দেন এবং দলিলও করা হয়। আমরা সেখানে বাড়ি নির্মাণ করে পনের বছর যাবত বসবাস করছি। জমি বিক্রেতা ইন্তেকাল করেছেন। এখন প্রকাশ পেয়েছে যে, দলিলে উল্লেখিত দাগ নাম্বার অনুযায়ী আমাদের জমি অন্য স্থানে। যেখানে আমরা অবস্থান করছি সেখানে নয়। তাই বিক্রেতার উত্তরাধিকারীগণ আমাদেরকে এ জমি ছেড়ে দলিলে যে দাগ নাম্বার রয়েছে সেখথানে চলে যেতে চাপ দিচ্ছে। আমার প্রশ্ন হল, শরীয়তের দৃষ্টিতে আমি কি উক্ত জমি ছাড়তে বাধ্য?
মৃত্যু-জানাজা
প্রশ্নের বর্ণনা অনুযায়ী এখন যে দাগে বাড়ি আছে এটাই যেহেতু জমির মালিক থেকে কিনেছেন এবং জমির মালিক নিজে তা বুঝিয়ে দিয়েছে এবং এর ভিত্তিতেই আপনি সেখানে বাড়ি নির্মাণ করেছেন তাই সে সময় বাস্তবেই এই জমিটি যদি...
আম্মাজান হযরত আয়েশা রা. কত বছর বয়সে ইনে-কাল করেন? তাঁর জানাযা কে পড়িয়েছেন? হযরত আয়েশা রা. হযরত ফাতেমা রা.-এর বড় না ছোট? তাদের বয়সের তফাত কত?
মৃত্যু-জানাজা
হযরত ফাতিমা রা. আম্মাজান আয়েশার চেয়ে ৫ বছরের বড় ছিলেন। আর আম্মাজান ৬৬ বছর বয়সে ৫৮ হিজরীতে ইন্তেকাল করেন। তাঁর জানাযা হযরত আবু হুরাইরা রা. পড়িয়েছেন। আলইসাবা ৪/৩৪৭-৩৪৯; উসদুল গাবা ৪/৩৭৭, ৫/৩৪১; ইস্তিয়া...
আমার দাদা কিছু জায়গা কবরস্তানের জন্য ওয়াকফ করে গেছেন। তার মৃত্যুর পর আমরা সে জায়গায় কিছু কাঠ গাছ লাগিয়েছিলাম। এখন সে গাছগুলো বিক্রি করে কবরস্তান সংরক্ষণের জন্য এর চারপাশে দেয়াল করতে চাই। এটা আমাদের জন্য বৈধ হবে কি না? জানিয়ে বাধিত করবেন।
মৃত্যু-জানাজা
হ্যাঁ, গাছগুলো বিক্রি করে সে অর্থ দ্বারা ঐ কবরস্তানের চারপাশে সীমানা-প্রাচীর করা জায়েয হবে। ফাতাওয়া হিন্দিয়া ২/৪৭৩; খুলাসাতুল ফাতাওয়া ৪/৪২০; আলবাহরুর রায়েক ৫/২০৪ উত্তর দিয়েছেন : মাসিক আল-কাওসার মসজিদ...
জনৈক আলেম বলেছেন, আল্লাহ তাআলা হযরত মুসা আ.-এর মাধ্যমে ফেরাউনকে নিম্নোক্ত প্রস্তাবগুলো দিয়েছিলেন ক) ঈমান গ্রহণ করলে কিয়ামত পর্যন্ত বাদশাহী দান করবেন। খ) ঈমান গ্রহণ করলে কিয়ামত পর্যন্ত জীবন ও যৌবন দান করবেন। গ) মৃত্যুর পর জান্নাত দান করবেন। উল্লেখিত কথাগুলো সঠিক সূত্রে প্রমাণিত কি না? জানিয়ে বাধিত করবেন।
মৃত্যু-জানাজা
হাদীস, তাফসীর ও তারীখের নির্ভরযোগ্য ও প্রসিদ্ধ কিতাবসমূহে আমরা এই কথা খুঁজে পাইনি। তাই নির্ভরযোগ্য সূত্রে প্রমাণিত হওয়া ছাড়া, এটা বলা এবং বয়ান করা থেকে বিরত থাকা জরুরি। উত্তর দিয়েছেন : মাসিক আল-কাওসা...
মৃত্যুর মুখে পতিত বক্তিকে কিভাবে শোয়াবে? দয়া করে বিস্তারিত জানাবেন।
মৃত্যু-জানাজা
কারো মৃত্যুর আলামত দেখা গেলে যেভাবে তার জন্য সহজ হয় সেভাবেই তাকে রাখা যাবে। যদি কষ্ট না হয় তবে উত্তম হল তাকে ডান কাতে কিবলামুখী করে শোয়ানো। অথবা চিত করে শুইয়ে মাথার নিচে উঁচু কিছু দিয়ে সিনা কিবলামুখী...
একবার ছুটিতে গ্রামের এক ওয়াজ মাহফিলে গিয়েছিলাম। সেখানে এক ওয়ায়েজের মুখে শুনলাম, হাদীসে নাকি আছে, হযরত আযরাঈল আ. যখন মূসা আ.-এর রূহ কবজ করতে এসেছিলেন তখন মূসা আ. তাকে এতো জোরে থাপ্পড় মেরেছিলেন যে, তার চক্ষু বের হয়ে গিয়েছিল। জানতে চাই, এ সংক্রান্ত হাদীসটি কোন কিতাবে আছে এবং তা বিশুদ্ধ কি না?
মৃত্যু-জানাজা
জ্বী, ঘটনাটি সত্য এবং এ সংক্রান্ত হাদীসটি সহীহ। হযরত আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, মালাকুল মাউত (জান কবজকারী ফেরেশতা) কে মূসা আ.-এর নিকট প্রেরণ করা হ...
একটি ইসলামী মাসিক পত্রিকায় এক প্রশ্নের উত্তরে বলা হয়েছে, ইসলামের প্রথম শহীদ হলেন হযরত আম্মার ইবনে ইয়াসীর রা.। একজন আলেমকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বললেন, তথ্যটি সঠিক নয়। ইসলামের প্রথম শহীদ হযরত সুমাইয়া রা.। জানতে চাই কোন তথ্যটি সঠিক?
মৃত্যু-জানাজা
ঐ আলেমের বক্তব্যই সঠিক। হযরত আম্মার ইবনে ইয়াসীর রা. ইসলামের প্রথম শহীদ নন। তাঁর ইন্তেকাল/শাহাদত ৩৭ হিজরীতে। হিজরতের পূর্বে ইসলামে সর্বপ্রথম শহীদ হওয়ার মর্যাদা লাভ করেছেন তাঁর আম্মা হযরত সুমাইয়া রা.।...
হাদীস শরীফে আছে, যে ব্যক্তি কোনো মৃতের কাফন-দাফনসহ তার জানাযায় শরীক হল সে এক কীরাত ছওয়াব পাবে। আর যে ব্যক্তি দাফন হওয়া পর্যন্ত থাকল সে দুই কীরাত ছওয়াব পাবে। অন্য এক হাদীসে আছে, যে ব্যক্তি কুকুর লালন করে তার আমলনামা থেকে দৈনিক এক কীরাত করে ছওয়াব কমতে থাকে। জানতে চাই, হাদীসে উল্লেখিত কীরাত দ্বারা কী উদ্দেশ্য? উভয় হাদীসেই কি একই অর্থ বুঝানো হয়েছে?
মৃত্যু-জানাজা
জানাযায় অংশগ্রহণ সম্পর্কিত হাদীসে কীরাত দ্বারা কি উদ্দেশ্য তা মুসলিম শরীফের হাদীসেই উল্লেখ আছে। এক হাদীসে আছে-‘কীরাত দু’টি বড় পাহাড় সমতুল্য।’ অন্য এক বর্ণনায় আছে, ‘কীরাত হল উহুদ পাহাড় সমান।’-সহীহ মুস...
আমাদের মসজিদের খতীব সাহেবের একটি বক্তব্য আমাদের মাঝে সংশয় সৃষ্টি করেছে। তা হল, আমি নিজ কানে শুনলাম, জুমআর নামাযের আগে ইমাম সাহেব বয়ানে বললেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মারা যাননি। তিনি এখনও জীবিত আছেন এবং দুনিয়াতে এখনও কাজ করেন। ইমাম সাহেব দলীল হিসাবে বললেন, পাকিস-ানে এক ঈমানদার লোকের সামনে এক লোক হযরত ওমর রা.কে গালমন্দ করল। তখন ঐ লোকটি মনে মনে কষ্ট পেলেন। কিন' কোনো কিছু বলার সাহস পেলেন না। রাতে যখন ঘুমিয়ে পড়লেন তখন হযরত রাসূল সাল্লল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার নিকট এসে বললেন যে, তুমি মন খারাপ করে আছ কেন? ঐ লোকটি বলল, আমার সামনে হযরত ওমর রা.কে গালমন্দ করেছে এজন্য আমার মন খারাপ। তখন রাসূল সাল্লল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন, ওঠ, যাও। ঐ লোকটিকে হত্যা করে এসো। তখন ঐ লোকটি তার গলা কেটে আসল। কান্নার আওয়াজ শুনে লোকটির ঘুম ভেঙ্গে গেল তারপর লোকটি দেখতে পেল সত্যি সত্যি লোকটির গলা কাটা হয়েছে। এই ঘটনা দলীল হিসাবে আমাদের সামনে পেশ করলেন। জানতে চাই, রাসূল সাল্লল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি সত্যিই এখনো জীবিত আছেন এবং এখনো দুনিয়াতে কাজ করছেন? কুরআন-হাদীসের আলোকে বিস-ারিত দলীলপ্রমাণসহ জানাবেন।
মৃত্যু-জানাজা
১১ হিজরী রবিউল আওয়াল মাসে নবী করীম সাল্লল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ওফাত হয়েছে এবং মদীনা মুনাওয়ারায় মসজিদে নববীর পাশে রওজা মুবারকে শায়িত আছেন। এটি দিবালোকের ন্যায় বাস-ব এবং অসংখ্য মানুষের বর্ণনা ও বি...
ফতোয়া জিজ্ঞাসা করুন
আপনার ধর্মীয় প্রশ্নের উত্তর পেতে নিচের ফর্ম পূরণ করুন।